1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  4. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  5. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  6. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ০৫:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরাসরি তদারকির দায়িত্বে প্রধানমন্ত্রী, হচ্ছে তদন্তও

নিজস্ব প্রতিবেদক:
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দীর্ঘ প্রায় এক মাস ধরে চলা তীব্র গ্যাস সংকটে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে দেশের শিল্প, পরিবহন ও আবাসিক খাত। গ্যাসের অভাবে শত শত কারখানায় উৎপাদন কমে গেছে, কোথাও কোথাও কার্যক্রম প্রায় বন্ধ। একই সঙ্গে গাড়ি ও বাসাবাড়িতেও গ্যাসের সংকট দেখা দিয়েছে। এর প্রভাব পড়ছে রপ্তানি বাণিজ্য ও সামগ্রিক অর্থনীতিতে।

হঠাৎ করে গ্যাস পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সংকটের কারণ খতিয়ে দেখতে তিনি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। বিশেষ করে মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালে আগুন, এলএনজি কার্গো সংগ্রহ ও সরবরাহে বিলম্ব এবং সরাসরি ক্রয় নীতির আওতায় কেনা কার্গো সময়মতো না আসার বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থতার দায় পড়েছে জ্বালানি বিভাগের ওপর। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রধানমন্ত্রীর টেলিযোগাযোগ, তথ্যপ্রযুক্তি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদকে এলএনজি ক্রয়সহ জ্বালানি বিভাগের কার্যক্রম নিয়মিত অবহিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রেহান আসিফ বুধবার বলেন, পুরো বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করতে আরও কয়েক দিন সময় লাগবে।

টার্মিনালে আগুনের পর সংকট

দেশের দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের একটি এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালে গত ২১ জুলাই আগুন লাগে। পরে ৬ আগস্ট আংশিকভাবে টার্মিনালটি সচল হলেও প্রয়োজনীয় এলএনজি কার্গো না থাকায় স্বাভাবিকভাবে গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হয়নি।

অগ্নিকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধানে জ্বালানি বিভাগের যুগ্ম সচিব ফজলুল হকের নেতৃত্বে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির সদস্যরা জুলাইয়ের শেষ দিকে মাতারবাড়িতে গেলেও টার্মিনালে প্রবেশ করতে পারেননি বলে অভিযোগ উঠেছে।

তদন্ত কমিটির এক সদস্যের দাবি, টার্মিনালে ৪০ জন কর্মরত থাকায় নতুন করে কাউকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না বলে এক্সিলারেটের পক্ষ থেকে জানানো হয়। এমনকি সরকারের একজন প্রতিমন্ত্রী টার্মিনাল পরিদর্শনে যেতে চাইলেও তাঁকে অনুমতি দেওয়া হয়নি। পরে তিনি পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যানকে সেখানে পাঠান।

অগ্নিকাণ্ডের বিষয়ে তদন্ত কমিটিকে সহযোগিতা না করার অভিযোগ নিয়ে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে আলোচনা চলছে। এ বিষয়ে এক্সিলারেট এনার্জির বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

কার্গো না থাকায় ফের বন্ধ টার্মিনাল

এদিকে এলএনজি কার্গো না থাকায় বুধবার বিকেল ৩টা থেকে এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল আবার বন্ধ হয়ে গেছে। বর্তমানে সামিটের টার্মিনাল থেকে প্রতিদিন প্রায় ৫৬ থেকে ৫৭ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে।

আগামী ২৩ আগস্ট বিপি সিঙ্গাপুর থেকে একটি এলএনজি কার্গো আসার কথা রয়েছে। সেটি এলে এক্সিলারেটের টার্মিনাল পুনরায় চালু হয়ে গ্যাস সরবরাহ কিছুটা স্বাভাবিক হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

এক্সিলারেটের টার্মিনাল প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও সেখানে সংযুক্ত করার মতো কার্গো না থাকায় সংকট আরও দীর্ঘায়িত হয়েছে। এই টার্মিনালের জন্য পেট্রোবাংলাকে প্রতিদিন ২ লাখ ৩০ হাজার ডলারের বেশি ভাড়া দিতে হয়।

সরাসরি ক্রয়ের কার্গো না আসায় সংকট

সামিটের টার্মিনালের জন্য সরাসরি ক্রয় নীতির আওতায় একটি এলএনজি কার্গো আসার কথা থাকলেও সেটি সময়মতো আসেনি। পরে স্পট মার্কেট থেকে বিটল এশিয়ার মাধ্যমে আরেকটি কার্গো কিনে সামিটের টার্মিনালে আনা হয়।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, সরাসরি ক্রয় নীতির আওতায় কেনা কার্গো সময়মতো না আসার বিষয়টি আগে থেকেই জানা থাকলেও প্রয়োজনীয় বিকল্প ব্যবস্থা যথাসময়ে নেওয়া হয়নি। এতে গ্যাস সংকট আরও তীব্র হয়েছে।

জ্বালানি বিভাগের কয়েকজন কর্মকর্তা দীর্ঘায়িত সংকটের জন্য বিভাগের সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও ব্যবস্থাপনার দুর্বলতাকে দায়ী করেছেন। তাঁদের দাবি, ৬ আগস্ট মন্ত্রিসভা কমিটিতে স্পট মার্কেট থেকে দুটি কার্গো কেনার অনুমোদন চাওয়া হলেও তা অনুমোদিত হয়নি। এর প্রভাব এখন পুরো দেশকে ভোগ করতে হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীকে নিয়মিত জানানো হচ্ছে

জ্বালানি বিভাগের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গ্যাস পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে দিনে একাধিকবার হালনাগাদ তথ্য দিতে হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রেও প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন নেওয়া হচ্ছে।

এদিকে বুধবার অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে সরাসরি ক্রয় নীতির আওতায় সাতটি কোম্পানির ১৪টি এলএনজি কার্গো কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।

তবে এরই মধ্যে এক্সিলারেটের টার্মিনাল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বুধবার বিকেল থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ আরও কমেছে। সন্ধ্যায় সারা দেশে গ্যাস সরবরাহ ২২০ কোটি ঘনফুটের নিচে নেমে যায়।

গ্যাস সংকটের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদনেও চাপ তৈরি হয়েছে। বুধবার বিকেল ৫টায় দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৫ হাজার ৫০৪ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে সরবরাহ করা হয় ১৩ হাজার ৭০০ মেগাওয়াট।

দীর্ঘস্থায়ী এই সংকটে শিল্পকারখানার উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় রপ্তানি বাণিজ্য ও কর্মসংস্থান নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে। পুরো পরিস্থিতি সরাসরি পর্যবেক্ষণ করছেন প্রধানমন্ত্রী এবং সংকটের জন্য দায়ী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৫:০৯:৫১ পূর্বাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

সরাসরি তদারকির দায়িত্বে প্রধানমন্ত্রী, হচ্ছে তদন্তও

আপডেট সময় : ০৫:০৯:৫১ পূর্বাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬

দীর্ঘ প্রায় এক মাস ধরে চলা তীব্র গ্যাস সংকটে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে দেশের শিল্প, পরিবহন ও আবাসিক খাত। গ্যাসের অভাবে শত শত কারখানায় উৎপাদন কমে গেছে, কোথাও কোথাও কার্যক্রম প্রায় বন্ধ। একই সঙ্গে গাড়ি ও বাসাবাড়িতেও গ্যাসের সংকট দেখা দিয়েছে। এর প্রভাব পড়ছে রপ্তানি বাণিজ্য ও সামগ্রিক অর্থনীতিতে।

হঠাৎ করে গ্যাস পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সংকটের কারণ খতিয়ে দেখতে তিনি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। বিশেষ করে মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালে আগুন, এলএনজি কার্গো সংগ্রহ ও সরবরাহে বিলম্ব এবং সরাসরি ক্রয় নীতির আওতায় কেনা কার্গো সময়মতো না আসার বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থতার দায় পড়েছে জ্বালানি বিভাগের ওপর। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রধানমন্ত্রীর টেলিযোগাযোগ, তথ্যপ্রযুক্তি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদকে এলএনজি ক্রয়সহ জ্বালানি বিভাগের কার্যক্রম নিয়মিত অবহিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রেহান আসিফ বুধবার বলেন, পুরো বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করতে আরও কয়েক দিন সময় লাগবে।

টার্মিনালে আগুনের পর সংকট

দেশের দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের একটি এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালে গত ২১ জুলাই আগুন লাগে। পরে ৬ আগস্ট আংশিকভাবে টার্মিনালটি সচল হলেও প্রয়োজনীয় এলএনজি কার্গো না থাকায় স্বাভাবিকভাবে গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হয়নি।

অগ্নিকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধানে জ্বালানি বিভাগের যুগ্ম সচিব ফজলুল হকের নেতৃত্বে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির সদস্যরা জুলাইয়ের শেষ দিকে মাতারবাড়িতে গেলেও টার্মিনালে প্রবেশ করতে পারেননি বলে অভিযোগ উঠেছে।

তদন্ত কমিটির এক সদস্যের দাবি, টার্মিনালে ৪০ জন কর্মরত থাকায় নতুন করে কাউকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না বলে এক্সিলারেটের পক্ষ থেকে জানানো হয়। এমনকি সরকারের একজন প্রতিমন্ত্রী টার্মিনাল পরিদর্শনে যেতে চাইলেও তাঁকে অনুমতি দেওয়া হয়নি। পরে তিনি পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যানকে সেখানে পাঠান।

অগ্নিকাণ্ডের বিষয়ে তদন্ত কমিটিকে সহযোগিতা না করার অভিযোগ নিয়ে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে আলোচনা চলছে। এ বিষয়ে এক্সিলারেট এনার্জির বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

কার্গো না থাকায় ফের বন্ধ টার্মিনাল

এদিকে এলএনজি কার্গো না থাকায় বুধবার বিকেল ৩টা থেকে এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল আবার বন্ধ হয়ে গেছে। বর্তমানে সামিটের টার্মিনাল থেকে প্রতিদিন প্রায় ৫৬ থেকে ৫৭ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে।

আগামী ২৩ আগস্ট বিপি সিঙ্গাপুর থেকে একটি এলএনজি কার্গো আসার কথা রয়েছে। সেটি এলে এক্সিলারেটের টার্মিনাল পুনরায় চালু হয়ে গ্যাস সরবরাহ কিছুটা স্বাভাবিক হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

এক্সিলারেটের টার্মিনাল প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও সেখানে সংযুক্ত করার মতো কার্গো না থাকায় সংকট আরও দীর্ঘায়িত হয়েছে। এই টার্মিনালের জন্য পেট্রোবাংলাকে প্রতিদিন ২ লাখ ৩০ হাজার ডলারের বেশি ভাড়া দিতে হয়।

সরাসরি ক্রয়ের কার্গো না আসায় সংকট

সামিটের টার্মিনালের জন্য সরাসরি ক্রয় নীতির আওতায় একটি এলএনজি কার্গো আসার কথা থাকলেও সেটি সময়মতো আসেনি। পরে স্পট মার্কেট থেকে বিটল এশিয়ার মাধ্যমে আরেকটি কার্গো কিনে সামিটের টার্মিনালে আনা হয়।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, সরাসরি ক্রয় নীতির আওতায় কেনা কার্গো সময়মতো না আসার বিষয়টি আগে থেকেই জানা থাকলেও প্রয়োজনীয় বিকল্প ব্যবস্থা যথাসময়ে নেওয়া হয়নি। এতে গ্যাস সংকট আরও তীব্র হয়েছে।

জ্বালানি বিভাগের কয়েকজন কর্মকর্তা দীর্ঘায়িত সংকটের জন্য বিভাগের সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও ব্যবস্থাপনার দুর্বলতাকে দায়ী করেছেন। তাঁদের দাবি, ৬ আগস্ট মন্ত্রিসভা কমিটিতে স্পট মার্কেট থেকে দুটি কার্গো কেনার অনুমোদন চাওয়া হলেও তা অনুমোদিত হয়নি। এর প্রভাব এখন পুরো দেশকে ভোগ করতে হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীকে নিয়মিত জানানো হচ্ছে

জ্বালানি বিভাগের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গ্যাস পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে দিনে একাধিকবার হালনাগাদ তথ্য দিতে হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রেও প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন নেওয়া হচ্ছে।

এদিকে বুধবার অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে সরাসরি ক্রয় নীতির আওতায় সাতটি কোম্পানির ১৪টি এলএনজি কার্গো কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।

তবে এরই মধ্যে এক্সিলারেটের টার্মিনাল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বুধবার বিকেল থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ আরও কমেছে। সন্ধ্যায় সারা দেশে গ্যাস সরবরাহ ২২০ কোটি ঘনফুটের নিচে নেমে যায়।

গ্যাস সংকটের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদনেও চাপ তৈরি হয়েছে। বুধবার বিকেল ৫টায় দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৫ হাজার ৫০৪ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে সরবরাহ করা হয় ১৩ হাজার ৭০০ মেগাওয়াট।

দীর্ঘস্থায়ী এই সংকটে শিল্পকারখানার উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় রপ্তানি বাণিজ্য ও কর্মসংস্থান নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে। পুরো পরিস্থিতি সরাসরি পর্যবেক্ষণ করছেন প্রধানমন্ত্রী এবং সংকটের জন্য দায়ী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।