1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  4. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  5. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  6. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ০৫:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মগধরা ৭ নম্বর ওয়ার্ডে মাদকসেবনের আসর—অভিযোগের কেন্দ্রে হাসান কারিগর

সন্দ্বীপ(চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
১৯

চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার মগধরা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে প্রকাশ্যে মাদক সেবন ও মাদক ব্যবসা চলছে—এমন অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্রের তৎপরতায় এলাকাটি ধীরে ধীরে মাদকের আখড়ায় পরিণত হচ্ছে। এতে উঠতি বয়সী কিশোর-তরুণদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে অভিভাবকদের মধ্যে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনের পাশাপাশি রাতেও বিভিন্ন স্থানে মাদকসেবনের আসর বসে। বিশেষ করে মগধরা ৭ নম্বর ওয়ার্ডের নেমন্তি স্কুলের একটি পরিত্যক্ত ভবন এবং স্থানীয়ভাবে মাদক সেবনের জন্য ব্যবহৃত একটি ছোট ঘরে বিভিন্ন বয়সী ব্যক্তিদের আনাগোনা দেখা যায়।
এলাকাবাসীর অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন হাসান কারিগর নামের এক ব্যক্তি। তিনি অটোরিকশা মেকানিক হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত—এমন অভিযোগ স্থানীয়দের। এছাড়া রাতের বেলায় বলির পোল এলাকার একটি গ্যারেজে অস্ত্র তৈরির অভিযোগও তার বিরুদ্ধে রয়েছে বলে দাবি করেন কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় সূত্রগুলো আরও দাবি করছে, শিপন হত্যা মামলায় হাসান কারিগর আসামি হিসেবে রয়েছেন। একই এলাকার মৃত হোরনের ছেলে নুর হোসেনও কথিত মাদক ব্যবসায় তার সহযোগী হিসেবে কাজ করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হাসান কারিগর ও নুর হোসেনের মাদক সেবনের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় অভিভাবকদের আশঙ্কা, প্রকাশ্যে মাদকসেবনের এমন পরিবেশ অব্যাহত থাকলে কিশোর-তরুণদের মধ্যে মাদকাসক্তির প্রবণতা বাড়তে পারে। তাদের অভিযোগ, মাদকের বিস্তারের সঙ্গে এলাকায় চুরি, ইভটিজিংসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধির আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে। তবে এসব অপরাধের সঙ্গে মাদকসেবনের সরাসরি যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তের বিষয়।
এলাকাবাসী মাদক ব্যবসা ও প্রকাশ্যে মাদকসেবনের বিরুদ্ধে দ্রুত অভিযান পরিচালনা, অভিযোগগুলো তদন্ত এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তারা সন্দ্বীপ থানা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
অভিযোগগুলোর বিষয়ে হাসান কারিগর ও নুর হোসেনের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হবে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৬:২৭ পূর্বাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬ ১৫ বার পড়া হয়েছে

মগধরা ৭ নম্বর ওয়ার্ডে মাদকসেবনের আসর—অভিযোগের কেন্দ্রে হাসান কারিগর

আপডেট সময় : ০৪:৪৬:২৭ পূর্বাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
১৯

চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার মগধরা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে প্রকাশ্যে মাদক সেবন ও মাদক ব্যবসা চলছে—এমন অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্রের তৎপরতায় এলাকাটি ধীরে ধীরে মাদকের আখড়ায় পরিণত হচ্ছে। এতে উঠতি বয়সী কিশোর-তরুণদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে অভিভাবকদের মধ্যে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনের পাশাপাশি রাতেও বিভিন্ন স্থানে মাদকসেবনের আসর বসে। বিশেষ করে মগধরা ৭ নম্বর ওয়ার্ডের নেমন্তি স্কুলের একটি পরিত্যক্ত ভবন এবং স্থানীয়ভাবে মাদক সেবনের জন্য ব্যবহৃত একটি ছোট ঘরে বিভিন্ন বয়সী ব্যক্তিদের আনাগোনা দেখা যায়।
এলাকাবাসীর অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন হাসান কারিগর নামের এক ব্যক্তি। তিনি অটোরিকশা মেকানিক হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত—এমন অভিযোগ স্থানীয়দের। এছাড়া রাতের বেলায় বলির পোল এলাকার একটি গ্যারেজে অস্ত্র তৈরির অভিযোগও তার বিরুদ্ধে রয়েছে বলে দাবি করেন কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় সূত্রগুলো আরও দাবি করছে, শিপন হত্যা মামলায় হাসান কারিগর আসামি হিসেবে রয়েছেন। একই এলাকার মৃত হোরনের ছেলে নুর হোসেনও কথিত মাদক ব্যবসায় তার সহযোগী হিসেবে কাজ করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হাসান কারিগর ও নুর হোসেনের মাদক সেবনের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় অভিভাবকদের আশঙ্কা, প্রকাশ্যে মাদকসেবনের এমন পরিবেশ অব্যাহত থাকলে কিশোর-তরুণদের মধ্যে মাদকাসক্তির প্রবণতা বাড়তে পারে। তাদের অভিযোগ, মাদকের বিস্তারের সঙ্গে এলাকায় চুরি, ইভটিজিংসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধির আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে। তবে এসব অপরাধের সঙ্গে মাদকসেবনের সরাসরি যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তের বিষয়।
এলাকাবাসী মাদক ব্যবসা ও প্রকাশ্যে মাদকসেবনের বিরুদ্ধে দ্রুত অভিযান পরিচালনা, অভিযোগগুলো তদন্ত এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তারা সন্দ্বীপ থানা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
অভিযোগগুলোর বিষয়ে হাসান কারিগর ও নুর হোসেনের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হবে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।